মঙ্গলবার , ২১ জানুয়ারি ২০২০
Home » আন্তর্জাতিক » ঢাকায় গেলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ঢাকায় গেলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

নাজমিন রিয়া, বাংলাদেশ
অনেক জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় পৌছেছেন। আজ শনিবার সকাল ১০টা ১০ মিনিটে তাঁকে বহনকারী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
ভারতের বিমানবাহিনীর বিমান ‘আইএএফ রাজদূত’-এ চড়ে ঢাকায় আসেন মোদি। বিমান থেকে নামার পর তাকে লাল লালিচা সংবর্ধনা দেয়া হয়। এরপর বিমানবন্দরেই সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর একটি দল মোদিকে গার্ড অব অনার প্রদান করেছে। এ সময় বাংলাদেশ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা এবং ঢাকায় অবস্থিত ভারতের দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে একাত্তরের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে যান মোদি। সাভার থেকে ফিরে দুপুর ১২ টা ১০ মিনিটে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেন তিনি।
এ সময় তিনি বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান ও নীরবে কিছুক্ষন দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে জাদুঘরের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করে বঙ্গবন্ধুর ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিস এবং তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ছবি দিয়ে সাজানো গ্যালারি ঘুরে দেখেন।
এ সময় বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ রেহানার ছেলে রেদোয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, তার স্ত্রী পেপ্পি সিদ্দিক, বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সদস্য সচিব শেখ হাফিজুর রহমানসহ মোদির সফরসঙ্গীরা উপস্থিত ছিলেন। এরপর পরিদর্শন বইয়ে সই করেন তিনি। প্রায় ২৫ মিনিটি অবস্থান করে বেলা ১২টা ৩৫ মিনিটে তিনি সেখান থেকে বের হয়ে যান।
বিকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে শীর্ষ বৈঠক করবেন মোদি। শীর্ষ বৈঠকের আগে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে ঢাকা-শিলং-গুয়াহাটি বাস সার্ভিস ও কলকাতা-ঢাকা-আগরতলা বাস সার্ভিসের উদ্বোধন করবেন।
এরপর দুই প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী একান্তে কথা বলবেন। তাঁদের আলোচনা শেষে সীমান্ত চুক্তির অনুসমর্থনের দলিল বিনিময় হবে। পরে দুই প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের আনুষ্ঠানিক বৈঠক করবেন। আনুষ্ঠানিক আলোচনার পর বিভিন্ন প্রকল্পের ফলক উন্মোচন শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে চুক্তি, সমঝোতা স্মারক, প্রটোকল ও সম্মতপত্র সই হবে। দুই প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতার পর শেষ হবে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের অনুষ্ঠান।
রাতে হোটেল সোনারগাঁওয়ে তাঁর সম্মানে শেখ হাসিনার দেওয়া নৈশভোজে যোগ দেবেন নরেন্দ্র মোদি। এভাবেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রথম দিন কাটবে।
বাংলাদেশে আসার আগে টুইটারে দেওয়া এক বার্তায় নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হচ্ছি। এই সফর আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে বন্ধন শক্তিশালী করবে, দেশের মানুষ এবং এ অঞ্চল উপকৃত হবে।’

আরও দেখুন

কেন আমাদের বেশি হাঁটা প্রয়োজন

বাংলা সংলাপ ডেস্ক: আমরা সবাই হাঁটি। কিন্তু কম মানুষই আছেন যারা যথেষ্ট হাঁটেন। এই হাঁটার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *