বুধবার , ১১ ডিসেম্বর ২০১৯
Home » আন্তর্জাতিক » ৩০ সেকেন্ডে ধসে পড়ল ২২ তলা ভবন

৩০ সেকেন্ডে ধসে পড়ল ২২ তলা ভবন

বাংলা সংলাপ ডেস্কঃ মাত্র ৩০ সেকেন্ড। এই সময়ের মধ্যে ধসে পড়ল ২২ তলা ভবন। আধা মিনিট আগেও যে জায়গায় দাঁড়িয়ে ছিল সুউচ্চ ভবন, কিছুক্ষণ পরই তা মিশে গেল জমিনে।

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে গত রোববার এ ঘটনা ঘটেছে। ব্যাংক অব লিসবনের নিজস্ব ভবন ছিল এটি। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে এক অগ্নিকাণ্ডে ভবনটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই দুর্ঘটনায় তিনজন দমকলকর্মীর মৃত্যু হয়েছিল। এরপর স্থানীয় প্রাদেশিক সরকার ভবনটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়। ব্যবহারের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপদ না হওয়ার কারণে ভবনটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আইওএলের প্রতিবেদন বলছে, রোববার সকালে বিস্ফোরকের সাহায্যে সুনিয়ন্ত্রিত উপায়ে ওই ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ভবনটি ভেঙে ফেলার ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছেন জোহানেসবার্গের হাজারো বাসিন্দা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুরো ভবন ভেঙে ফেলতে প্রায় ৮৯৪ কেজি বিস্ফোরক ব্যবহৃত হয়েছে। বিস্ফোরকের সাহায্যে সুনিয়ন্ত্রিত উপায়ে ভেঙে ফেলা অন্যতম বড় ভবন এটি।

দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে মাত্র ৩০ সেকেন্ডে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ২২ তলা একটি ভবন। সুনিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের পরের দৃশ্য। ছবি: এএফপি

দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে মাত্র ৩০ সেকেন্ডে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ২২ তলা একটি ভবন। সুনিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের পরের দৃশ্য। ছবি: এএফপি

ইউরো নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ভবনটির উচ্চতা ছিল প্রায় ১০৮ মিটার। বিস্ফোরকের সাহায্যে সুনিয়ন্ত্রিত উপায়ে ভেঙে ফেলা সর্বোচ্চ ভবনটির উচ্চতা ছিল ১১৪ মিটার। সেই হিসাবে এটি দ্বিতীয় সুউচ্চ ভবন, যা সুনিয়ন্ত্রিত উপায়ে ভেঙে ফেলা হলো।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, ব্যাংক অব লিসবনের এই ভবন সফলভাবে ভেঙে ফেলা হয়েছে। নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের আগে আশপাশের বিভিন্ন ভবন থেকে প্রায় ২ হাজার লোককে সরিয়ে নেওয়া হয়।

পুরোনো ভবনের জায়গায় ব্যাংক অব লিসবনের নতুন একটি ভবন নির্মাণ করা হবে। সেই ভবনে প্রাদেশিক সরকারের কিছু দপ্তরও থাকবে বলে জানা গেছে।

আরও দেখুন

রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলা: আন্তর্জাতিক আদালতে তথ্য-প্রমাণ নিয়ে বাংলাদেশের দল

বাংলা সংলাপ ডেস্কঃ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন বলেছেন, রোহিঙ্গা গণহত্যার মামলার শুনানিতে মিয়ানমার যাতে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *