শুক্রবার , ১৯ এপ্রিল ২০১৯
সর্বশেষ সংবাদ
Home » ব্রিটেনের সংবাদ » ব্রেক্সিটের দ্বিতীয় গণভোটের দাবিতে রাজপথে লাখ লাখ ব্রিটিশ
5568

ব্রেক্সিটের দ্বিতীয় গণভোটের দাবিতে রাজপথে লাখ লাখ ব্রিটিশ

বাংলা সংলাপ ডেস্কঃ ব্রেক্সিট নিয়ে দ্বিতীয়বার গণভোটের দাবিতে লন্ডনের রাজপথে নেমেছিলেন লাখ লাখ ব্রিটিশ। শনিবারের এই আন্দোলনটি ছিলো ব্রেক্সিট নিয়ে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় সমাবেশ। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

যুক্তরাজ্য আগামী বছরের মার্চ মাসে ইইউ ত্যাগ করতে যাচ্ছে। কয়েক মাস আলোচনার পর দেশটির প্রধান দলগুলোর মধ্যে ব্যাপক বিভেদ দেখা দিয়েছে। কনজারভেটিভরা নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ শুরু করে দিয়েছেন আর কীভাবে ইইউ ছাড়া হবে তা নিয়ে লেবার পার্টিও দ্বিধান্বিত হয়ে আছে। তবে দুই দলের অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, দ্বিতীয়বার গণভোট করার সময় পর্যাপ্ত সময় কি আসলেই আছে?d6eb21770554946a509e964aabc3e845-5bcb8d04cb60f

শনিবার আন্দোলনকারীদের হাতে ছিলো ইইউয়ের নীল ও সোনালি পতাকা। ব্যানারগুলোতে লেখা ছিলো আরেকটি গণভোটের দাবির কথা। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই আন্দোলনে আবারও চাপের মুখে পড়বেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। ব্রাসেলকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নেতাদের সঙ্গে ব্রেক্সিট আলোচনায় ব্যর্থ হয়েছেন তিনি।

মিছিলের একজন আয়োজক জেমস ম্যাকগ্ররি বলেন, ভোটারদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের সুযোগ দেওয়া উচিত। কারণ এই সিদ্ধান্তে পরবর্তী প্রজন্মের ওপরও প্রভাব ফেলবে। তিনি বলেন, সবাই মনে করছে ব্রেক্সিট আলেচনায় জট পাকিয়ে গেছে। সরকারের ওপর কোনও আস্থা নেই তাদের।

আয়োজকদের দাবি, এই মিছিলে ৬ লাখ ৭০ হাজার ব্রিটিশ অংশ নেয়। ২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধের বিরোধিতার ঘটনার পর এটাই যুক্তরাজ্যে সবচেয়ে বড় মিছিল।

গত জুলাই মাসে যুক্তরাজ্যের চেকার্সে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ব্রেক্সিটের জন্য থেরেসা মে যেসব শর্তের খসড়া লিপিব্ধ করেছিলেন সেগুলোর বিষয়ে ইইউ নেতারা অস্ট্রিয়ার সালজবার্গে বৈঠকে বসেছিলেন। গত বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সেখানে থেরাসে মের অনুপস্থিতিতেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তার পরিকল্পনা সফল হবে না। মূল সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে ইইউ সদস্য রাষ্ট্র আয়ারল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যের নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড অংশের মধ্যে বাণিজ্যের শর্ত নির্ধারণ নিয়ে। আইরিশ সীমান্তের বিষয়ে ইইউয়ের পরামর্শ হচ্ছে- নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড ইউরোপীয় বাজারের অংশ হিসেবে থাকবে। আর বাকি যুক্তরাজ্য ইইউ থেকে আলাদা হয়ে যাবে। কিন্তু ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে তাদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত অর্থনৈতিকভাবে এবং সাংবিধানিকভাবে যুক্তরাজ্যকে বিভক্ত করে ফেলবে

আরও দেখুন

_106420286_8d8a5673-14bb-4171-a58c-7052269efe38

অ্যাসাঞ্জকে মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যুক্তরাজ্য

বাংলা সংলাপ ডেস্কঃইকুয়েডরকে যুক্তরাজ্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, এমন কোনও দেশে জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে তারা প্রত্যর্পণ করবে না, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *